শিশুদের পরিবেশ প্রেমী ও পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষাকারী গড়ার অভিনব প্রয়াসে ” ডট ফাউন্ডেশন ” ‌


​ ‌

অভিজিৎ হাজরা ,আমতা :- ‌ বৃক্ষ ,কীটপ্রতঙ্গ, সরিসৃপ ,জলজ প্রাণী, বন্যপ্রাণী,পশু – পক্ষীদের ভালোবাসা , সংরক্ষণের আগ্ৰহ তৈরি এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এদের গুরুত্ব ও ভূমিকা বিষয়ক এক সচেতনেতা শিবির অনুষ্ঠিত হল উদয়নারায়ণপুর বিধানসভা তথা আমতা ১ নং ব্লকের আনুলিয়া মহামায়া বিদ্যামন্দির ( প্রাথমিক) এ প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক – শিক্ষিকা ও অভিভাবক – অভিভাবকদের উপস্থিতিতে। এই সচেতনতা শিবিরের উদ্যোক্তা হাওড়া জেলা যৌথ পরিবেশ মঞ্চ – র সাথী সংগঠন ” ডট ফাউন্ডেশন ” । এই সচেতনতা শিবিরের মূল দায়িত্বে ও সম্পুর্ন পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন ” ডট ফাউন্ডেশন ” র সদস্যা ডঃ রীমা নস্কর মুখার্জী।‌ পরিবেশের বার্তাকে কেবল আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা ছাত্র -ছাত্রী, শিক্ষক – শিক্ষিকা , অভিভাবক – অভিভাবকদের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলার উদ্দেশ্যে একাধিক কর্মসূচি রূপায়িত হল। সচেতনতা শিবিরের শুরুতেই ” ডট ফাউন্ডেশন ” – র পক্ষ থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষক – শিক্ষিকাদের সাদরে বরণ করে নেওয়া হয় ।পাল্টা সৌজন্য হিসাবে বিদ্যালয়ের শিক্ষক – শিক্ষিকাবৃন্দ রাও ” ডট ফাউন্ডেশন ” এর সদস্য – সদস্যাদের আন্তরিক ভাবে বরণ করেন। বিদ্যালয়ের কচিকাঁচা পড়ুয়াদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পরিবেশ বিষয়ক একটি অঙ্কন প্রতিযোগিতায় ৪৭ জন পড়ুয়া পেন্সিল , প্যাস্টেল রং এর মাধ্যমে তাদের চিন্তাধারা আর্ট পেপারে সুন্দর ভাবে তুলে ধরে। প্রতিযোগিতার শেষে প্রথম ঈশিতা নষ্কর (৫ ম শ্রেণী), দ্বিতীয় পৌলমী মাখাল (৫ ম শ্রেণী), তৃতীয় সাহানি বাড়ুই (৫ ম শ্রেণী)স্থানাধিকারী এবং আরো ৬ জন স্থানাধিকারীকে পুরষ্কার, মেডেল দিয়ে সম্মানিত করা হয়।এর পাশাপাশি পরিবেশকে সবুজায়নের লক্ষ্যে বৃক্ষদান করা হয় ছাত্র -ছাত্রী ও উপস্থিত অভিভাবক – অভিভাবকদের। ‌ বর্ষা কালে গ্ৰামীণ বাংলায় সাপ এর প্রার্দুভাব বেশি হয়। মানুষের অসচেতনতা ও কুসংস্কারের জন্য সাপের কামড়ে মানুষের মৃত্যু হয়।সাপ দেখতে পেলেই মানুষ মেরে ফেলে।সাপ নিয়ে মানুষের অহেতুক ভীতি ও কুসংস্কার দূর করার জন্য আধুনিক প্রজেক্টেটর এর মাধ্যমে সর্প সচেতনতা শিবির অনুষ্ঠিত হল। প্রজেক্টটর এর মাধ্যমে প্রকৃতিতে বন্যপ্রাণী ও তাদের গুরুত্ব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়। বৃক্ষ, বন্যপ্রাণী,জলজ প্রাণী, সরিসৃপ ,পশু – পক্ষী নিধন রোধ , সংরক্ষণ, উদ্ধার, তাদের মুক্ত পরিবেশে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে সচেতনতা শিবিরের শুভ সূচনা করেন পরিবেশ কর্মী তথা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণকারী কুন্তল মুখার্জী। তিনি বলেন, মানুষ তার ব্যক্তিগত প্রয়োজনে, সরকার নগরোন্নয়নের ধুয়া তুলে বৃক্ষ নিধন করেই চলেছে।জলাজমি বুজিয়ে ফেলছে। বনাঞ্চল সাফ করে ফেলছে।প্রমোটাররা বাড়ি করছে,কল কারখানা গড়ে তুলছে।ফলে কীটপ্রতঙ্গ,পশু – পক্ষী,জলজ প্রাণী তাদের বাসস্থান হারাচ্ছে। প্রকৃতি, পরিবেশ ভারসাম্য হারাচ্ছে। মানুষ বাড়িতে দেশিয় পাখি, কুকুর,কাছিম পুষছে।দেশিয় পাখি বিক্রি করছে।কাছিম ধরে বিক্রি করছে।যা আইনত দন্ডনীয়। এই সবের বিরুদ্ধে সচেতন হয়ে প্রতিবাদী হয়ে ওঠার জন্য, ছোটবেলা থেকেই পরিবেশ প্রেমী, বন্যপ্রাণী, জলজ প্রাণী,দেশিয় পাখি সংরক্ষণকারী হিসাবে গড়ে তোলার জন্য এই সচেতনতা শিবিরের আয়োজন। ‌ ” ডট ফাউন্ডেশন এর সভাপতি ও পরিবেশ কর্মী দীপঙ্কর পোড়েল সমাজে বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা, কীটপ্রতঙ্গ,জলজ প্রাণী, সরিসৃপ, বন্যপ্রাণী,পশু-পক্ষীর ভূমিকা ও গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি উপস্থিত ছাত্র -ছাত্রী, শিক্ষক – শিক্ষিকা, অভিভাবক – অভিভাবিকাদের উদ্যেশ্যে বলেন,বৃক্ষ নিধন বন্ধের জন্য, জলজ প্রাণী নিধন,পশু – পক্ষী পোষা,জলজ প্রাণী পোষার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।যারা গ্ৰাম বাংলায় সাপ খেলা দেখাতে আসে তাদের বিরুদ্ধে সরব হন। প্রয়োজনে ” ডট ফাউন্ডেশন ” এর সদস্য – সদস্যা,বন দফতরের কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আমরা প্রশাসনের সাহায্য ও সহযোগিতা করবো আপানাদের ” । বিদ্যালয়ে সচেতনতা শিবিরের মূল উদ্যোক্তা ” ডট ফাউন্ডেশন ” এর সদস্যা ডঃ রীমা নস্কর মুখার্জী বলেন, বর্তমান সময়ে আমাদের নিজেদের অসেচতনতা, সরকারি ঔদ্যাসিন্যে, সরকারি ভাবে নগোরান্নয়নের ফলে পরিবেশ আজ নানান ভাবে দূষিত হয়ে উঠেছে। পরিবেশ ভারসাম্য হারাচ্ছে,সমাজ থেকে কীটপ্রতঙ্গ,জলজ প্রাণী, সরিসৃপ, বন্যপ্রাণী,পশু -পক্ষী বাসস্থান হারাচ্ছে।তারা বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।এ সবের বিরুদ্ধে ছোটবেলা থেকেই প্রতিবাদী হয়ে ওঠার জন্য, পরিবেশ কর্মী, নতুন প্রজন্মের সবুজ মন তৈরির চেষ্টার জন্য এই সচেতনতা শিবিরের আয়োজন। ‌ সর্প সচেতনতা শিবিরে সর্প বিশারদ ও বিষ গবেষক শুভেন্দু গাঙ্গুলি প্রজেক্টের শো এর মাধ্যমে সাপ নিয়ে মানুষের অহেতুক ভীতি, সাপের গতি প্রকৃতি, তাদের চরিত্র, বিভিন্ন ধরনের সাপ কোথায় কোথায় দেখা যায়,সাপের কামড়, আমাদের প্রাথমিক করণীয়,চিকিৎসা সম্পর্কে সচেতন করেন। এই সচেতনতা শিবিরে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ কর্মী তথা গাজীপুর থাকময়ী প্রাথমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক সায়ন দে সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ববর্গ। প্রাথমিক বিদ্যালয় স্তরে শিশুদের পরিবেশ প্রেমী, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাকারী করে গড়ে তোলার জন্য, অঙ্কন এবং আধুনিক প্রজেক্টেটর শো এর মাধ্যমে ছাত্র -ছাত্রীদের মনে পরিবেশের প্রতি ভালোবাসা জাগিয়ে তোলার জন্য ” ডট ফাউন্ডেশন ” এই অভিনব প্রয়াস বর্তমান সমাজে এক দৃষ্টান্তমূলক উদাহরণ হয়ে রইলো বলে ওয়াকিমহল, শিক্ষক – শিক্ষিকা, অভিভাবক – অভিভাবিকা, শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ববর্গরা মনে করছেন।

শিশুদের পরিবেশ প্রেমী ও পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষাকারী গড়ার অভিনব প্রয়াসে ” ডট ফাউন্ডেশন ” ‌


​ ‌

অভিজিৎ হাজরা ,আমতা :- ‌ বৃক্ষ ,কীটপ্রতঙ্গ, সরিসৃপ ,জলজ প্রাণী, বন্যপ্রাণী,পশু – পক্ষীদের ভালোবাসা , সংরক্ষণের আগ্ৰহ তৈরি এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এদের গুরুত্ব ও ভূমিকা বিষয়ক এক সচেতনেতা শিবির অনুষ্ঠিত হল উদয়নারায়ণপুর বিধানসভা তথা আমতা ১ নং ব্লকের আনুলিয়া মহামায়া বিদ্যামন্দির ( প্রাথমিক) এ প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক – শিক্ষিকা ও অভিভাবক – অভিভাবকদের উপস্থিতিতে। এই সচেতনতা শিবিরের উদ্যোক্তা হাওড়া জেলা যৌথ পরিবেশ মঞ্চ – র সাথী সংগঠন ” ডট ফাউন্ডেশন ” । এই সচেতনতা শিবিরের মূল দায়িত্বে ও সম্পুর্ন পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন ” ডট ফাউন্ডেশন ” র সদস্যা ডঃ রীমা নস্কর মুখার্জী।‌ পরিবেশের বার্তাকে কেবল আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা ছাত্র -ছাত্রী, শিক্ষক – শিক্ষিকা , অভিভাবক – অভিভাবকদের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলার উদ্দেশ্যে একাধিক কর্মসূচি রূপায়িত হল। সচেতনতা শিবিরের শুরুতেই ” ডট ফাউন্ডেশন ” – র পক্ষ থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষক – শিক্ষিকাদের সাদরে বরণ করে নেওয়া হয় ।পাল্টা সৌজন্য হিসাবে বিদ্যালয়ের শিক্ষক – শিক্ষিকাবৃন্দ রাও ” ডট ফাউন্ডেশন ” এর সদস্য – সদস্যাদের আন্তরিক ভাবে বরণ করেন। বিদ্যালয়ের কচিকাঁচা পড়ুয়াদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পরিবেশ বিষয়ক একটি অঙ্কন প্রতিযোগিতায় ৪৭ জন পড়ুয়া পেন্সিল , প্যাস্টেল রং এর মাধ্যমে তাদের চিন্তাধারা আর্ট পেপারে সুন্দর ভাবে তুলে ধরে। প্রতিযোগিতার শেষে প্রথম ঈশিতা নষ্কর (৫ ম শ্রেণী), দ্বিতীয় পৌলমী মাখাল (৫ ম শ্রেণী), তৃতীয় সাহানি বাড়ুই (৫ ম শ্রেণী)স্থানাধিকারী এবং আরো ৬ জন স্থানাধিকারীকে পুরষ্কার, মেডেল দিয়ে সম্মানিত করা হয়।এর পাশাপাশি পরিবেশকে সবুজায়নের লক্ষ্যে বৃক্ষদান করা হয় ছাত্র -ছাত্রী ও উপস্থিত অভিভাবক – অভিভাবকদের। ‌ বর্ষা কালে গ্ৰামীণ বাংলায় সাপ এর প্রার্দুভাব বেশি হয়। মানুষের অসচেতনতা ও কুসংস্কারের জন্য সাপের কামড়ে মানুষের মৃত্যু হয়।সাপ দেখতে পেলেই মানুষ মেরে ফেলে।সাপ নিয়ে মানুষের অহেতুক ভীতি ও কুসংস্কার দূর করার জন্য আধুনিক প্রজেক্টেটর এর মাধ্যমে সর্প সচেতনতা শিবির অনুষ্ঠিত হল। প্রজেক্টটর এর মাধ্যমে প্রকৃতিতে বন্যপ্রাণী ও তাদের গুরুত্ব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়। বৃক্ষ, বন্যপ্রাণী,জলজ প্রাণী, সরিসৃপ ,পশু – পক্ষী নিধন রোধ , সংরক্ষণ, উদ্ধার, তাদের মুক্ত পরিবেশে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে সচেতনতা শিবিরের শুভ সূচনা করেন পরিবেশ কর্মী তথা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণকারী কুন্তল মুখার্জী। তিনি বলেন, মানুষ তার ব্যক্তিগত প্রয়োজনে, সরকার নগরোন্নয়নের ধুয়া তুলে বৃক্ষ নিধন করেই চলেছে।জলাজমি বুজিয়ে ফেলছে। বনাঞ্চল সাফ করে ফেলছে।প্রমোটাররা বাড়ি করছে,কল কারখানা গড়ে তুলছে।ফলে কীটপ্রতঙ্গ,পশু – পক্ষী,জলজ প্রাণী তাদের বাসস্থান হারাচ্ছে। প্রকৃতি, পরিবেশ ভারসাম্য হারাচ্ছে। মানুষ বাড়িতে দেশিয় পাখি, কুকুর,কাছিম পুষছে।দেশিয় পাখি বিক্রি করছে।কাছিম ধরে বিক্রি করছে।যা আইনত দন্ডনীয়। এই সবের বিরুদ্ধে সচেতন হয়ে প্রতিবাদী হয়ে ওঠার জন্য, ছোটবেলা থেকেই পরিবেশ প্রেমী, বন্যপ্রাণী, জলজ প্রাণী,দেশিয় পাখি সংরক্ষণকারী হিসাবে গড়ে তোলার জন্য এই সচেতনতা শিবিরের আয়োজন। ‌ ” ডট ফাউন্ডেশন এর সভাপতি ও পরিবেশ কর্মী দীপঙ্কর পোড়েল সমাজে বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা, কীটপ্রতঙ্গ,জলজ প্রাণী, সরিসৃপ, বন্যপ্রাণী,পশু-পক্ষীর ভূমিকা ও গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি উপস্থিত ছাত্র -ছাত্রী, শিক্ষক – শিক্ষিকা, অভিভাবক – অভিভাবিকাদের উদ্যেশ্যে বলেন,বৃক্ষ নিধন বন্ধের জন্য, জলজ প্রাণী নিধন,পশু – পক্ষী পোষা,জলজ প্রাণী পোষার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।যারা গ্ৰাম বাংলায় সাপ খেলা দেখাতে আসে তাদের বিরুদ্ধে সরব হন। প্রয়োজনে ” ডট ফাউন্ডেশন ” এর সদস্য – সদস্যা,বন দফতরের কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আমরা প্রশাসনের সাহায্য ও সহযোগিতা করবো আপানাদের ” । বিদ্যালয়ে সচেতনতা শিবিরের মূল উদ্যোক্তা ” ডট ফাউন্ডেশন ” এর সদস্যা ডঃ রীমা নস্কর মুখার্জী বলেন, বর্তমান সময়ে আমাদের নিজেদের অসেচতনতা, সরকারি ঔদ্যাসিন্যে, সরকারি ভাবে নগোরান্নয়নের ফলে পরিবেশ আজ নানান ভাবে দূষিত হয়ে উঠেছে। পরিবেশ ভারসাম্য হারাচ্ছে,সমাজ থেকে কীটপ্রতঙ্গ,জলজ প্রাণী, সরিসৃপ, বন্যপ্রাণী,পশু -পক্ষী বাসস্থান হারাচ্ছে।তারা বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।এ সবের বিরুদ্ধে ছোটবেলা থেকেই প্রতিবাদী হয়ে ওঠার জন্য, পরিবেশ কর্মী, নতুন প্রজন্মের সবুজ মন তৈরির চেষ্টার জন্য এই সচেতনতা শিবিরের আয়োজন। ‌ সর্প সচেতনতা শিবিরে সর্প বিশারদ ও বিষ গবেষক শুভেন্দু গাঙ্গুলি প্রজেক্টের শো এর মাধ্যমে সাপ নিয়ে মানুষের অহেতুক ভীতি, সাপের গতি প্রকৃতি, তাদের চরিত্র, বিভিন্ন ধরনের সাপ কোথায় কোথায় দেখা যায়,সাপের কামড়, আমাদের প্রাথমিক করণীয়,চিকিৎসা সম্পর্কে সচেতন করেন। এই সচেতনতা শিবিরে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ কর্মী তথা গাজীপুর থাকময়ী প্রাথমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক সায়ন দে সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ববর্গ। প্রাথমিক বিদ্যালয় স্তরে শিশুদের পরিবেশ প্রেমী, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাকারী করে গড়ে তোলার জন্য, অঙ্কন এবং আধুনিক প্রজেক্টেটর শো এর মাধ্যমে ছাত্র -ছাত্রীদের মনে পরিবেশের প্রতি ভালোবাসা জাগিয়ে তোলার জন্য ” ডট ফাউন্ডেশন ” এই অভিনব প্রয়াস বর্তমান সমাজে এক দৃষ্টান্তমূলক উদাহরণ হয়ে রইলো বলে ওয়াকিমহল, শিক্ষক – শিক্ষিকা, অভিভাবক – অভিভাবিকা, শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ববর্গরা মনে করছেন।