হাতির তাণ্ডবের লন্ডভন্ড হলো দুরামারি

খাদিমুল ইসলাম বানারহাট:- প্রবল বৃষ্টি ও বজ্রপাতের মধ্যেই মরাঘাট বনাঞ্চলের খুটিমারি ফরেস্ট এলাকা থেকে বেরিয়ে আসে ১৫ থেকে ২০টি হাতির একটি দল। বাচ্চা হাতি-সহ ওই দলটি মধ্য শালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের নোনাই পার, প্রামাণিকপাড়া এলাকায় রাতভর তাণ্ডব চালায়। স্থানীয়দের দাবি, অন্তত ১২ থেকে ১৩টি বাড়িতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হাতির হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন জগদানন্দ কুঙার, পবিত্র দেব অধিকারী, সনাতন বর্মন প্রামাণিক, ধর্ম রায়, অর্থনাথ রায়, ভগ্গা রায়, রামনাথ রায়, মন্দিল রায়, রঞ্জিত রায়-সহ একাধিক পরিবার। ঘরের চাল, দেয়াল, রান্নাঘর, আসবাবপত্র, খাদ্যশস্য, সুপারি ও নারকেল গাছ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অধিকাংশ পরিবারের পুরুষ সদস্য ভিনরাজ্যে কর্মরত থাকায় বাড়িতে শুধু মহিলা, শিশু ও বৃদ্ধরা ছিলেন। হাতির হামলার সময় অনেকেই প্রাণভয়ে ঘরের ভেতরে লুকিয়ে থাকেন। বন দপ্তরে খবর দেওয়া হলেও সময়মতো সাহায্য মেলেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর বন দপ্তর ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরির কাজ শুরু করেছে। তবে ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, শুধু ক্ষতিপূরণ নয়, বনসংলগ্ন এলাকায় পর্যাপ্ত পথবাতি ও স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

হাতির তাণ্ডবের লন্ডভন্ড হলো দুরামারি

খাদিমুল ইসলাম বানারহাট:- প্রবল বৃষ্টি ও বজ্রপাতের মধ্যেই মরাঘাট বনাঞ্চলের খুটিমারি ফরেস্ট এলাকা থেকে বেরিয়ে আসে ১৫ থেকে ২০টি হাতির একটি দল। বাচ্চা হাতি-সহ ওই দলটি মধ্য শালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের নোনাই পার, প্রামাণিকপাড়া এলাকায় রাতভর তাণ্ডব চালায়। স্থানীয়দের দাবি, অন্তত ১২ থেকে ১৩টি বাড়িতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হাতির হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন জগদানন্দ কুঙার, পবিত্র দেব অধিকারী, সনাতন বর্মন প্রামাণিক, ধর্ম রায়, অর্থনাথ রায়, ভগ্গা রায়, রামনাথ রায়, মন্দিল রায়, রঞ্জিত রায়-সহ একাধিক পরিবার। ঘরের চাল, দেয়াল, রান্নাঘর, আসবাবপত্র, খাদ্যশস্য, সুপারি ও নারকেল গাছ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অধিকাংশ পরিবারের পুরুষ সদস্য ভিনরাজ্যে কর্মরত থাকায় বাড়িতে শুধু মহিলা, শিশু ও বৃদ্ধরা ছিলেন। হাতির হামলার সময় অনেকেই প্রাণভয়ে ঘরের ভেতরে লুকিয়ে থাকেন। বন দপ্তরে খবর দেওয়া হলেও সময়মতো সাহায্য মেলেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর বন দপ্তর ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরির কাজ শুরু করেছে। তবে ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, শুধু ক্ষতিপূরণ নয়, বনসংলগ্ন এলাকায় পর্যাপ্ত পথবাতি ও স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।