১৫ বছর ধরে ক্যানেলের জল না মেলায় বিক্ষোভে শতাধিক কৃষক, আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

খাদিমুল ইসলাম বানারহাট:– কৃষিজমিতে সেচের জল না মেলায় ক্ষোভে ফেটে পড়লেন বানারহাট ব্লকের শালবাড়ি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্য শালবাড়ি এলাকার শতাধিক কৃষক। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে সরকারি ক্যানেলের জল না পাওয়ার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সামিল হন তাঁরা। স্থানীয় কৃষকদের হামিদুল ইসলাম ও বিপ্লব প্রমাণিকের অভিযোগ, বাম আমলে কৃষিজমিতে সেচের জল পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি ক্যানেল নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সেই ক্যানেলের জল কৃষকদের জমিতে পৌঁছাচ্ছে না। অভিযোগ, ক্যানেলের একটি অংশ মাঝপথে ভেঙে বা কেটে যাওয়ায় জল বেরুবাগ নদীতে চলে যাচ্ছে। ফলে নিচু এলাকার প্রায় পাঁচ হাজারেরও বেশি কৃষক সেচের জল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

কৃষকদের দাবি, বর্তমানে চাষাবাদের জন্য তাঁদের সৌরচালিত মোটর বা বিদ্যুৎচালিত পাম্পের সাহায্যে জল তুলতে হচ্ছে। এতে ঘণ্টাপ্রতি প্রায় ৫০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে। ফলে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় চরম আর্থিক সমস্যার মুখে পড়েছেন তাঁরা। বিক্ষোভকারী কৃষকদের আরও অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার গ্রাম পঞ্চায়েত ও বিডিও অফিসে লিখিত অভিযোগ জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও স্থায়ী সমাধান হয়নি। তাঁদের দাবি, দ্রুত ক্যানেলের সংস্কার, ভাঙা অংশ মেরামত এবং নিয়মিত সেচের জল সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এলাকার কৃষকরা।

এই বিষয়ে শালবাড়ি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নবীন রায় বলেন, বিষয়টি আমরা গুরুত্ব সহকারে দেখছি। কৃষকদের অভিযোগ সম্পর্কে অবগত হয়েছি এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হবে। দ্রুত সমস্যার সমাধান করে যাতে চাষিরা সঠিকভাবে সেচের জল পান, সেই বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের চেষ্টা করা হবে।

১৫ বছর ধরে ক্যানেলের জল না মেলায় বিক্ষোভে শতাধিক কৃষক, আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

খাদিমুল ইসলাম বানারহাট:– কৃষিজমিতে সেচের জল না মেলায় ক্ষোভে ফেটে পড়লেন বানারহাট ব্লকের শালবাড়ি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্য শালবাড়ি এলাকার শতাধিক কৃষক। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে সরকারি ক্যানেলের জল না পাওয়ার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সামিল হন তাঁরা। স্থানীয় কৃষকদের হামিদুল ইসলাম ও বিপ্লব প্রমাণিকের অভিযোগ, বাম আমলে কৃষিজমিতে সেচের জল পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি ক্যানেল নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সেই ক্যানেলের জল কৃষকদের জমিতে পৌঁছাচ্ছে না। অভিযোগ, ক্যানেলের একটি অংশ মাঝপথে ভেঙে বা কেটে যাওয়ায় জল বেরুবাগ নদীতে চলে যাচ্ছে। ফলে নিচু এলাকার প্রায় পাঁচ হাজারেরও বেশি কৃষক সেচের জল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

কৃষকদের দাবি, বর্তমানে চাষাবাদের জন্য তাঁদের সৌরচালিত মোটর বা বিদ্যুৎচালিত পাম্পের সাহায্যে জল তুলতে হচ্ছে। এতে ঘণ্টাপ্রতি প্রায় ৫০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে। ফলে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় চরম আর্থিক সমস্যার মুখে পড়েছেন তাঁরা। বিক্ষোভকারী কৃষকদের আরও অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার গ্রাম পঞ্চায়েত ও বিডিও অফিসে লিখিত অভিযোগ জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও স্থায়ী সমাধান হয়নি। তাঁদের দাবি, দ্রুত ক্যানেলের সংস্কার, ভাঙা অংশ মেরামত এবং নিয়মিত সেচের জল সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এলাকার কৃষকরা।

এই বিষয়ে শালবাড়ি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নবীন রায় বলেন, বিষয়টি আমরা গুরুত্ব সহকারে দেখছি। কৃষকদের অভিযোগ সম্পর্কে অবগত হয়েছি এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হবে। দ্রুত সমস্যার সমাধান করে যাতে চাষিরা সঠিকভাবে সেচের জল পান, সেই বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের চেষ্টা করা হবে।