প্রাচীন বাংলার রাজকীয় প্রত্যাবর্তন

ঋদ্ধি ভট্টাচার্য, কলকাতা:- কলকাতার ঐতিহ্যের আবহে প্রাচীন মানিকতলা রাজবাড়িতে অনুষ্ঠিত হল এক অনন্য ঐতিহ্যবাহী ফ্যাশন ও সাংস্কৃতিক আয়োজন। প্রাচীন বাংলার ঐশ্বর্য, বনেদিয়ানা এবং জমিদার বাড়ির হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতেই এই বিশেষ অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়। রাজবাড়ির পুরনো স্থাপত্য, ঝাড়বাতি, নকশাদার বারান্দা ও ঐতিহ্যমণ্ডিত অন্দরমহলের আবহে যেন ফিরে এসেছিল অতীতের বাংলা। অনুষ্ঠানের প্রযোজক প্রীতি রায় দাসের উদ্যোগে আয়োজিত এই বিশেষ আয়োজনে চিত্রগ্রহণের দায়িত্বে ছিলেন দীপা বর্মন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এষা দে। অতিথি মডেল হিসেবে নজর কাড়েন প্রসেন তিয়ারী ও দেবলিনা পাল। অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিলেন একদল মডেল, যাঁদের সাজে ও উপস্থাপনায় ফুটে ওঠে পুরনো দিনের বঙ্গনারীর ঐতিহ্যবাহী রূপ।অংশগ্রহণকারী মডেলদের মধ্যে ছিলেন টিনা পাত্র, রিয়া কংসবনিক, রুমা পট্টনায়ক, রমা সরকার, শোভিতা রায়, মহুয়া ঘোষ, মোনালিসা নাগ, প্রিয়াঙ্কা চক্রবর্তী, প্রীতি সিং, অরিজিৎ নাথ ও প্রীতি দাস। তাঁদের প্রত্যেকের পোশাক, অলঙ্কার ও অভিব্যক্তিতে ধরা পড়ে জমিদার বাড়ির সেই বনেদি ঐতিহ্য ও সেকালের অভিজাত সংস্কৃতির ছোঁয়া।প্রসাধনী শিল্পীদের নিপুণ হাতে মডেলদের রূপসজ্জা হয়ে ওঠে আরও জীবন্ত ও ঐতিহাসিক। এর দায়িত্বে ছিলেন অনুশ্রী বসাক, সোমা দাস, চিনু মন্ডল, ঝুম্পা মাইতি,দীপিকা বিশ্বাস, তন্ময় ধর, জুনি গাঙ্গুলী, মুনমুন বিশ্বাস, রুমি দাস ও রিজু মন্ডল। তাঁদের সৃজনশীল মেকআপ ও অলংকরণে প্রতিটি চরিত্র যেন হয়ে উঠেছিল এক একটি জীবন্ত ইতিহাস।আয়োজকের মতে, এই অনুষ্ঠান শুধুমাত্র একটি ফ্যাশন শো নয়, বরং বাংলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও হারিয়ে যেতে বসা বনেদিয়ানা জীবনযাত্রাকে স্মরণ করার এক প্রচেষ্টা। মানিকতলা রাজবাড়ির ঐতিহাসিক পরিবেশে এই ব্যতিক্রমী উপস্থাপনা দর্শকদের মনে বিশেষ ছাপ ফেলেছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও দর্শকদের মতে, আধুনিকতার ভিড়ে এমন ঐতিহ্যনির্ভর উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয় এবং বাংলার সংস্কৃতিকে নতুনভাবে তুলে ধরার এক অভিনব প্রয়াস।

প্রাচীন বাংলার রাজকীয় প্রত্যাবর্তন

ঋদ্ধি ভট্টাচার্য, কলকাতা:- কলকাতার ঐতিহ্যের আবহে প্রাচীন মানিকতলা রাজবাড়িতে অনুষ্ঠিত হল এক অনন্য ঐতিহ্যবাহী ফ্যাশন ও সাংস্কৃতিক আয়োজন। প্রাচীন বাংলার ঐশ্বর্য, বনেদিয়ানা এবং জমিদার বাড়ির হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতেই এই বিশেষ অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়। রাজবাড়ির পুরনো স্থাপত্য, ঝাড়বাতি, নকশাদার বারান্দা ও ঐতিহ্যমণ্ডিত অন্দরমহলের আবহে যেন ফিরে এসেছিল অতীতের বাংলা। অনুষ্ঠানের প্রযোজক প্রীতি রায় দাসের উদ্যোগে আয়োজিত এই বিশেষ আয়োজনে চিত্রগ্রহণের দায়িত্বে ছিলেন দীপা বর্মন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এষা দে। অতিথি মডেল হিসেবে নজর কাড়েন প্রসেন তিয়ারী ও দেবলিনা পাল। অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিলেন একদল মডেল, যাঁদের সাজে ও উপস্থাপনায় ফুটে ওঠে পুরনো দিনের বঙ্গনারীর ঐতিহ্যবাহী রূপ।অংশগ্রহণকারী মডেলদের মধ্যে ছিলেন টিনা পাত্র, রিয়া কংসবনিক, রুমা পট্টনায়ক, রমা সরকার, শোভিতা রায়, মহুয়া ঘোষ, মোনালিসা নাগ, প্রিয়াঙ্কা চক্রবর্তী, প্রীতি সিং, অরিজিৎ নাথ ও প্রীতি দাস। তাঁদের প্রত্যেকের পোশাক, অলঙ্কার ও অভিব্যক্তিতে ধরা পড়ে জমিদার বাড়ির সেই বনেদি ঐতিহ্য ও সেকালের অভিজাত সংস্কৃতির ছোঁয়া।প্রসাধনী শিল্পীদের নিপুণ হাতে মডেলদের রূপসজ্জা হয়ে ওঠে আরও জীবন্ত ও ঐতিহাসিক। এর দায়িত্বে ছিলেন অনুশ্রী বসাক, সোমা দাস, চিনু মন্ডল, ঝুম্পা মাইতি,দীপিকা বিশ্বাস, তন্ময় ধর, জুনি গাঙ্গুলী, মুনমুন বিশ্বাস, রুমি দাস ও রিজু মন্ডল। তাঁদের সৃজনশীল মেকআপ ও অলংকরণে প্রতিটি চরিত্র যেন হয়ে উঠেছিল এক একটি জীবন্ত ইতিহাস।আয়োজকের মতে, এই অনুষ্ঠান শুধুমাত্র একটি ফ্যাশন শো নয়, বরং বাংলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও হারিয়ে যেতে বসা বনেদিয়ানা জীবনযাত্রাকে স্মরণ করার এক প্রচেষ্টা। মানিকতলা রাজবাড়ির ঐতিহাসিক পরিবেশে এই ব্যতিক্রমী উপস্থাপনা দর্শকদের মনে বিশেষ ছাপ ফেলেছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও দর্শকদের মতে, আধুনিকতার ভিড়ে এমন ঐতিহ্যনির্ভর উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয় এবং বাংলার সংস্কৃতিকে নতুনভাবে তুলে ধরার এক অভিনব প্রয়াস।