জীবনের কঠিনতম সময়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রয়েছেন পদ্মশ্রী সম্মানপ্রাপ্ত শিল্পী মঙ্গলাকান্ত রায়

খাদিমুল ইসলাম বানারহাট:– জীবনের কঠিনতম সময়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রয়েছেন পদ্মশ্রী সম্মানপ্রাপ্ত শিল্পী মঙ্গলাকান্ত রায়। একদিকে শারীরিক অসুস্থতা অন্যদিকে মাথার উপর ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় থাকা জরাজীর্ণ বাড়ি সব মিলিয়ে দিন কাটছিল চরম অনিশ্চয়তা ও দুশ্চিন্তার মধ্যে। গত সোমবার হঠাৎ গলার গুরুতর সমস্যায় অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করান বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা’ নামে পরিচিত পদ্মশ্রী করিমুল হক। দু’দিন চিকিৎসার পর কিছুটা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও, এখনও তাঁর চিকিৎসা চলছে বাড়িতেই। প্রতিটি দিনই যেন তাঁর জীবনে নতুন করে লড়াইয়ের গল্প লিখছে।

এই দুঃসময়ে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী ড: নবীউল আলম। বৃহস্পতিবার তিনি মঙ্গলাকান্ত রায়ের বাড়িতে পৌঁছে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি চিকিৎসার খরচে আর্থিক সহায়তা ফলমূল ও প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন তাঁর হাতে এবং ভবিষ্যতেও পাশে থাকার আশ্বাস দেন। তবে শুধু তাতেই থেমে থাকেননি তিনি। সবচেয়ে বড় সহায়তা হিসেবে একটি নিরাপদ আশ্রয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বর্তমানে যে ভাঙাচোরা ঘরে মঙ্গলাকান্ত রায় বসবাস করছেন, সেটি যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে। সেই ঝুঁকি অনুধাবন করেই দ্রুত একটি নতুন ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান ড: নবীউল আলম।

এ প্রসঙ্গে করিমুল হক জানিয়েছেন অনেকেই বিভিন্ন সময়ে সাহায্যের আশ্বাস দিলেও বাস্তবে কেউ এগিয়ে আসেননি। এমন পরিস্থিতিতে ড: নবীউল আলমের এই উদ্যোগ পরিবারটির কাছে বড় ভরসা হয়ে উঠেছে। আজ মঙ্গলাকান্ত রায়ের পরিবারে ফিরেছে কিছুটা স্বস্তি। দুঃখ কষ্টের মাঝেও তারা আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে একটি নিরাপদ ঘর, আর একটু নিশ্চিন্তে বেঁচে থাকার আশা। এই ঘটনাই আবারও প্রমাণ করে প্রতিকূলতার মাঝেও মানবিকতা আজও বেঁচে আছে। যতদিন এমন মানুষ সমাজে রয়েছেন ততদিন অন্ধকার কখনও পুরোপুরি গ্রাস করতে পারবে না।

জীবনের কঠিনতম সময়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রয়েছেন পদ্মশ্রী সম্মানপ্রাপ্ত শিল্পী মঙ্গলাকান্ত রায়

খাদিমুল ইসলাম বানারহাট:– জীবনের কঠিনতম সময়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রয়েছেন পদ্মশ্রী সম্মানপ্রাপ্ত শিল্পী মঙ্গলাকান্ত রায়। একদিকে শারীরিক অসুস্থতা অন্যদিকে মাথার উপর ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় থাকা জরাজীর্ণ বাড়ি সব মিলিয়ে দিন কাটছিল চরম অনিশ্চয়তা ও দুশ্চিন্তার মধ্যে। গত সোমবার হঠাৎ গলার গুরুতর সমস্যায় অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করান বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা’ নামে পরিচিত পদ্মশ্রী করিমুল হক। দু’দিন চিকিৎসার পর কিছুটা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও, এখনও তাঁর চিকিৎসা চলছে বাড়িতেই। প্রতিটি দিনই যেন তাঁর জীবনে নতুন করে লড়াইয়ের গল্প লিখছে।

এই দুঃসময়ে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী ড: নবীউল আলম। বৃহস্পতিবার তিনি মঙ্গলাকান্ত রায়ের বাড়িতে পৌঁছে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি চিকিৎসার খরচে আর্থিক সহায়তা ফলমূল ও প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন তাঁর হাতে এবং ভবিষ্যতেও পাশে থাকার আশ্বাস দেন। তবে শুধু তাতেই থেমে থাকেননি তিনি। সবচেয়ে বড় সহায়তা হিসেবে একটি নিরাপদ আশ্রয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বর্তমানে যে ভাঙাচোরা ঘরে মঙ্গলাকান্ত রায় বসবাস করছেন, সেটি যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে। সেই ঝুঁকি অনুধাবন করেই দ্রুত একটি নতুন ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান ড: নবীউল আলম।

এ প্রসঙ্গে করিমুল হক জানিয়েছেন অনেকেই বিভিন্ন সময়ে সাহায্যের আশ্বাস দিলেও বাস্তবে কেউ এগিয়ে আসেননি। এমন পরিস্থিতিতে ড: নবীউল আলমের এই উদ্যোগ পরিবারটির কাছে বড় ভরসা হয়ে উঠেছে। আজ মঙ্গলাকান্ত রায়ের পরিবারে ফিরেছে কিছুটা স্বস্তি। দুঃখ কষ্টের মাঝেও তারা আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে একটি নিরাপদ ঘর, আর একটু নিশ্চিন্তে বেঁচে থাকার আশা। এই ঘটনাই আবারও প্রমাণ করে প্রতিকূলতার মাঝেও মানবিকতা আজও বেঁচে আছে। যতদিন এমন মানুষ সমাজে রয়েছেন ততদিন অন্ধকার কখনও পুরোপুরি গ্রাস করতে পারবে না।