সাত সকালে গ্রামে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে হাতির দল

খাদিমুল ইসলাম বানারহাট:- সাত সকালে গ্রামে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে হাতির দল, চার হাতি দেখে আতঙ্ক গ্রামজুড়ে বানারহাটের নাথুয়া এলাকায় । ঘুম থেকে উঠেই চারটি হাতি কে গ্রামাঞ্চলে ঘুরে বেড়াতে দেখে রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বাসিন্দাদের মধ্যে। ঘটনাটি বানারহাট ব্লকের অন্তর্গত নাথুয়া হাট এলাকার নুন খাওয়া ডাঙা গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার গভীর রাত প্রায় ৩টা নাগাদ মোরাঘাট রেঞ্জের খট্টিমারি ও তোতাপাড়া জঙ্গল থেকে বেরিয়ে তিনটি দলছুট হাতি প্রথমে উত্তর চানাডিপা এলাকায় ঢুকে পড়ে। সারারাত খাদ্যের সন্ধানে গ্রামে ঘুরে বেড়ায় হাতির দল এবং একাধিক বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। ঘটনার সময় বাড়ির সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ হাতির তাণ্ডব টের পেয়ে কোনওরকমে প্রাণ বাঁচিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন তাঁরা। সূত্রের খবর, রাতে ঢুকে পড়া তিনটি হাতির সঙ্গে সকালে আরও একটি হাতি এসে যোগ দেয়। ফলে মোট চারটি হাতি গ্রামে দাপিয়ে বেড়াতে শুরু করে, যা ঘিরে এলাকায় চরম চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, চিৎকার-চেঁচামেচি করেও হাতির দলকে জঙ্গলে ফেরানো যায়নি। এমনকি একটি হাতি একটি বাড়ির ভিতরে ঢুকে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে বলে অভিযোগ উঠেছে। হাতির হানায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি গ্রামবাসীদের। একাধিক ঘরবাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি ফসলি জমিরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার পরেও বন দপ্তরের কর্মীদের দেখা মেলেনি বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, এ ধরনের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ পেতে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হয়, যার ফলে জঙ্গল লাগোয়া এলাকার বাসিন্দাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

সাত সকালে গ্রামে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে হাতির দল

খাদিমুল ইসলাম বানারহাট:- সাত সকালে গ্রামে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে হাতির দল, চার হাতি দেখে আতঙ্ক গ্রামজুড়ে বানারহাটের নাথুয়া এলাকায় । ঘুম থেকে উঠেই চারটি হাতি কে গ্রামাঞ্চলে ঘুরে বেড়াতে দেখে রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বাসিন্দাদের মধ্যে। ঘটনাটি বানারহাট ব্লকের অন্তর্গত নাথুয়া হাট এলাকার নুন খাওয়া ডাঙা গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার গভীর রাত প্রায় ৩টা নাগাদ মোরাঘাট রেঞ্জের খট্টিমারি ও তোতাপাড়া জঙ্গল থেকে বেরিয়ে তিনটি দলছুট হাতি প্রথমে উত্তর চানাডিপা এলাকায় ঢুকে পড়ে। সারারাত খাদ্যের সন্ধানে গ্রামে ঘুরে বেড়ায় হাতির দল এবং একাধিক বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। ঘটনার সময় বাড়ির সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ হাতির তাণ্ডব টের পেয়ে কোনওরকমে প্রাণ বাঁচিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন তাঁরা। সূত্রের খবর, রাতে ঢুকে পড়া তিনটি হাতির সঙ্গে সকালে আরও একটি হাতি এসে যোগ দেয়। ফলে মোট চারটি হাতি গ্রামে দাপিয়ে বেড়াতে শুরু করে, যা ঘিরে এলাকায় চরম চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, চিৎকার-চেঁচামেচি করেও হাতির দলকে জঙ্গলে ফেরানো যায়নি। এমনকি একটি হাতি একটি বাড়ির ভিতরে ঢুকে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে বলে অভিযোগ উঠেছে। হাতির হানায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি গ্রামবাসীদের। একাধিক ঘরবাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি ফসলি জমিরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার পরেও বন দপ্তরের কর্মীদের দেখা মেলেনি বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, এ ধরনের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ পেতে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হয়, যার ফলে জঙ্গল লাগোয়া এলাকার বাসিন্দাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।