08, Aug-2022 || 10:47 am
Home রাজ্য গত ২৮ বছরে পশ্চিমবঙ্গের ১৫ হাজার রোগীর অস্থিসন্ধী প্রতিস্থাপন করেছে আহমেদাবাদের শালবি...

গত ২৮ বছরে পশ্চিমবঙ্গের ১৫ হাজার রোগীর অস্থিসন্ধী প্রতিস্থাপন করেছে আহমেদাবাদের শালবি হাসপাতাল

হীরক মুখোপাধ্যায় (৫ মে ‘২২):- আহমেদাবাদের বিখ্যাত ‘শালবি হাসপাতাল’ কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী, “গত ২৮ বছরে প্রদাহ জনিত কারণে পশ্চিমবঙ্গের ১৫ হাজার রোগীর অস্থিসন্ধী প্রতিস্থাপন করেছে আহমেদাবাদ-এর ‘শালবি হাসপাতাল’।”

আজ ‘শালবি হাসপাতাল’-এর থেকে জারি করা এক প্রেস বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “অস্থিসন্ধী প্রদাহ এবং তৎসংক্রান্ত রোগ নিরাময়ের জন্য ১৯৯৪ সালে আহমেদাবাদে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘শালবি হাসপাতাল’, আজ পর্যন্ত এই হাসপাতাল ১ লাখ ২৫ হাজার রোগীর অস্থিসন্ধী প্রতিস্থাপন করেছে, মোট যত রোগীর অস্থিসন্ধী প্রতিস্থাপন করা হয়েছে তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের রোগী রয়েছে ১৫ হাজার; শতাকরা হারের বিচারে যা ১২ শতাংশ।”

বলে রাখা ভালো, এই মুহুর্তে পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতা (ভবানীপুর) ও শিলিগুড়ি-তে এই হাসপাতালের দুটো কেন্দ্র রয়েছে। ভবানীপুর শাখায় প্রতি সপ্তাহে একবার আহমেদাবাদ থেকে চিকিৎসকেরা এসে রোগী দেখেন ও পরামর্শ দেন, অপরদিকে শিলিগুড়িতে মাসে একবার করে চিকিৎসকেরা রোগী দেখতে ও পরামর্শ দিতে যান।

প্রেস বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “১৯৯৪ সালে আহমেদাবাদ-এ মাত্র ৬ শয্যা নিয়ে ‘শালবি হাসপাতাল’-এর পথ চলা শুরু হয়। এই মুহূর্তে ভারতের ৮ টা শহরে ১১ টা মাল্টি স্পেশালিটি হসপিটাল চেইন তৈরী করে ফেলেছে এই সংস্থা।”

‘শালবি হসপিটাল চেইন’-এর চেয়ারম্যান তথা ব্যবস্থাপক নির্দেশক ডাঃ বিক্রম শাহ-র বক্তব্য উদ্ধৃত করে সংস্থা জানিয়েছে, “প্রথম বছর অর্থাৎ ১৯৯৪ সালে আমরা মোট ১৪ টা শল্য চিকিৎসা করেছিলাম, পরের বছর মানে ১৯৯৫ সালে শল্য চিকিৎসা-র সংখ্যাটা বেড়ে হয়েছিল ১০০, বর্তমানে এই সংখ্যা ১ লাখ ২৫ হাজার-এর গণ্ডি পেরিয়ে গেছে।”

‘শালবি হাসপাতাল’-এ অস্থিসন্ধী প্রতিস্থাপন সংক্রান্ত বিভিন্ন শল্য চিকিৎসা হলেও “পশ্চিমবঙ্গের অনেক রোগী এই হাসপাতাল থেকে নি (হাঁটু) ও হিপ (পাছা) রিপ্লেসমেন্ট করিয়ে বর্তমানে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন,” বলে হাসপাতালের তরফ থেকে জানানো হয়েছে।

‘শালবি হাসপাতাল’-এর তরফ থেকে ডাঃ বিক্রম শাহ (জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট সার্জন) জানিয়েছেন, “জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট সার্জারি সম্পর্কে জনমানসে বেশ কিছু অসত্য ধারণা আজও বিশ্বাস আকারে শিক্ষিত সমাজের বুকে জেঁকে বসে আছে।
প্রথম ধারণা :- সমস্ত হাঁটু প্রতিস্থাপন শুধুমাত্র ১০ বছর স্থায়ী হয়।
সত্য :- বর্তমানে সমস্ত হাঁটু প্রতিস্থাপনের মেয়াদ ২০ থেকে ২৫ বছর।
দ্বিতীয় ধারণা :- হাঁটুর অস্ত্রোপচার অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
সত্য :- শূন্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সামান্য ব্যথায় অস্ত্রোপচার সম্ভব এবং সেটাও ওষুধের মাধ্যমে উপশম করা যায়।
তৃতীয় ধারণা :- বয়স্কদের অস্ত্রোপচার সম্ভব নয়।
সত্য :- শারীরিক সুস্থতা বয়সের থেকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ এবং অস্ত্রোপচারের পর দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার প্রধান মাপকাঠি।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

নিজের বৌভাতের অনুষ্ঠানের পরের দিন গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা

প্রদীপ মজুমদার, নদীয়াঃ নদীয়ার নাকাশিপাড়া থানার গাছা এলাকায় নিজের বৌভাতের অনুষ্ঠানের পরের দিন গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করলেন এক যুবক।অসিত ঘোষ(৩২) নামে...

রহস্যজনকভাবে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা

মহঃ শাহজাহান আনসারী, বাঁকুড়া :- রহস্যজনকভাবে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটলো ছাতনার জিড়রা গ্রামে, মৃতার পরিবারের অভিযোগ...

রাজ্য সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ভাতারে বিজেপির পথসভা

মনোজ কুমার মালিক,ভাতাড়: চোরদের জেলে ভরো, মমতা গদি ছাড়ো । এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ভারতীয় জনতা যুবমোর্চার...

বিয়ের ছয় মাসের মাথাতেই বিষপান করে আত্মহত্যা এক কিশোরীর

প্রদীপ মজুমদার, নদীয়াঃ বাড়ি থেকে পালিয়ে প্রেম করে বিয়ে করে শেষ পর্যন্ত আর বেশি দিন সংসার করা হল না এক কিশোরীর। বিয়ের...