রাতের অন্ধকারে রাঙাতি নদী থেকে বেআইনি বালি পাচারের অভিযোগ, গ্রামবাসীদের হাতে আটক ট্র্যাক্টর

 

নিজস্ব প্রতিনিধি:– রাতের অন্ধকারে দীর্ঘদিন ধরেই রাঙাতি নদী থেকে বেআইনিভাবে বালি পাচার চলছিল বলে অভিযোগ। এবার বালি পাচারের সময় একটি ট্র্যাক্টর হাতেনাতে আটক করে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। জানা গিয়েছে, বানারহাট ব্লকের রাঙাতি নদী থেকে পুলিশের নজর এড়িয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বেআইনিভাবে বালি পাচার চলছিল বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এ নিয়ে গ্রামবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। এরপর বালি পাচারের সময় একটি ট্র্যাক্টর আটক করেন গ্রামবাসীরা এবং ঘটনাস্থলে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বানারহাট থানার পুলিশ। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বালি বোঝাই ট্র্যাক্টরটি আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং ট্র্যাক্টরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে বর্ষাকালে নদী থেকে বেআইনিভাবে বালি উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগ ঘিরে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের কার্যকলাপ চললেও কেন আগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়দের একাংশ। এর পিছনে কারও মদত বা যোগসাজশ রয়েছে কি না, তদন্তের মাধ্যমে তা স্পষ্ট হওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

রাতের অন্ধকারে রাঙাতি নদী থেকে বেআইনি বালি পাচারের অভিযোগ, গ্রামবাসীদের হাতে আটক ট্র্যাক্টর

 

নিজস্ব প্রতিনিধি:– রাতের অন্ধকারে দীর্ঘদিন ধরেই রাঙাতি নদী থেকে বেআইনিভাবে বালি পাচার চলছিল বলে অভিযোগ। এবার বালি পাচারের সময় একটি ট্র্যাক্টর হাতেনাতে আটক করে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। জানা গিয়েছে, বানারহাট ব্লকের রাঙাতি নদী থেকে পুলিশের নজর এড়িয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বেআইনিভাবে বালি পাচার চলছিল বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এ নিয়ে গ্রামবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। এরপর বালি পাচারের সময় একটি ট্র্যাক্টর আটক করেন গ্রামবাসীরা এবং ঘটনাস্থলে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বানারহাট থানার পুলিশ। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বালি বোঝাই ট্র্যাক্টরটি আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং ট্র্যাক্টরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে বর্ষাকালে নদী থেকে বেআইনিভাবে বালি উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগ ঘিরে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের কার্যকলাপ চললেও কেন আগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়দের একাংশ। এর পিছনে কারও মদত বা যোগসাজশ রয়েছে কি না, তদন্তের মাধ্যমে তা স্পষ্ট হওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।