নৃত্য-প্রতিকৃতিতে মুগ্ধ দর্শক

 

ঋদ্ধি ভট্টাচার্য, কোলকাতা:- প্রচলিত প্যাকেজভিত্তিক আলোকচিত্রের গণ্ডি ভেঙে অভিনব ভাবনা ও বৈচিত্র্যকে সামনে রেখে ‘বাঙালিয়ানা ফটোগ্রাফি’-র উদ্যোগে আয়োজিত একটি বিশেষ আলোকচিত্র কর্মসূচি ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। সাতটি ভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে সাজানো এই আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল নৃত্য-প্রতিকৃতি। নৃত্যশিল্পীদের শিল্পসত্তাকে ক্যামেরার মাধ্যমে নান্দনিকভাবে তুলে ধরার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল। ভারতীয় শাস্ত্রীয় ও লোকনৃত্যের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নৃত্যধারাকেও ভবিষ্যতের পরিকল্পনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। এ ছাড়াও পাশ্চাত্য সৃজনশীল আলোকচিত্র, আসন্ন আগমনী প্রকল্পের সূচনা হিসেবে আগমনী আলোকচিত্র, এবং বেলজিয়াম ও কঙ্গোর স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসভিত্তিক ‘লুমুম্বা’ পুনর্নির্মাণ বিশেষভাবে দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। এই ধারণাভিত্তিক উপস্থাপনায় মডেল হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন কিংশুক হুই। অন্যান্য মডেলদের মধ্যে ছিলেন শ্রেয়সী কোনার, সম্পূর্ণা সম্মাদ্দার, শম্পা ও অন্নেশা রায়। প্রসাধনী শিল্পীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন পিঙ্কি দাস, দীপিকা বিশ্বাস ও রমা মালি। পোশাক পরিকল্পনা ও পরিবেশনের দায়িত্বেও ছিলেন রমা মালি।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা সৌরভ চ্যাটার্জী। তাঁর উপস্থিতি অনুষ্ঠানের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি করেছিল। অনুষ্ঠানে প্রসেন তেওয়ারি, অভিষেক ভট্টাচার্য, রিচা রায়, অনিমা খাতুন, মৌসুমি দাস-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা জানানো হয়েছিল। বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত অংশগ্রহণকারীদের পাশাপাশি পূর্বে অনুষ্ঠিত হেনরি আইল্যান্ড আলোকচিত্র কর্মসূচি-র অংশগ্রহণকারীদেরও বিশেষভাবে সংবর্ধনা জানানো হয় এই অনুষ্ঠানে। সমগ্র অনুষ্ঠানের আলোকচিত্র গ্রহণ ও আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন ‘বাঙালিয়ানা ফটোগ্রাফি’-র কর্ণধার অনীক ত্রিবেদি-কে যাকে মূলত দেখা যায় ফুটবল-এর পোশাকে (আর্জেন্টিনা জার্সি পরে) এবং ফিফা বিশ্বকাপের জ্বর যে আজকালের এমন একটি অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা অন্য একটি মাত্র এনে দেয়। তাঁর পরিকল্পনায় আয়োজিত এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগটি নান্দনিক আলোকচিত্র সৃষ্টির পাশাপাশি সৃজনশীলতার এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল।

নৃত্য-প্রতিকৃতিতে মুগ্ধ দর্শক

 

ঋদ্ধি ভট্টাচার্য, কোলকাতা:- প্রচলিত প্যাকেজভিত্তিক আলোকচিত্রের গণ্ডি ভেঙে অভিনব ভাবনা ও বৈচিত্র্যকে সামনে রেখে ‘বাঙালিয়ানা ফটোগ্রাফি’-র উদ্যোগে আয়োজিত একটি বিশেষ আলোকচিত্র কর্মসূচি ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। সাতটি ভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে সাজানো এই আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল নৃত্য-প্রতিকৃতি। নৃত্যশিল্পীদের শিল্পসত্তাকে ক্যামেরার মাধ্যমে নান্দনিকভাবে তুলে ধরার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল। ভারতীয় শাস্ত্রীয় ও লোকনৃত্যের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নৃত্যধারাকেও ভবিষ্যতের পরিকল্পনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। এ ছাড়াও পাশ্চাত্য সৃজনশীল আলোকচিত্র, আসন্ন আগমনী প্রকল্পের সূচনা হিসেবে আগমনী আলোকচিত্র, এবং বেলজিয়াম ও কঙ্গোর স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসভিত্তিক ‘লুমুম্বা’ পুনর্নির্মাণ বিশেষভাবে দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। এই ধারণাভিত্তিক উপস্থাপনায় মডেল হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন কিংশুক হুই। অন্যান্য মডেলদের মধ্যে ছিলেন শ্রেয়সী কোনার, সম্পূর্ণা সম্মাদ্দার, শম্পা ও অন্নেশা রায়। প্রসাধনী শিল্পীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন পিঙ্কি দাস, দীপিকা বিশ্বাস ও রমা মালি। পোশাক পরিকল্পনা ও পরিবেশনের দায়িত্বেও ছিলেন রমা মালি।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা সৌরভ চ্যাটার্জী। তাঁর উপস্থিতি অনুষ্ঠানের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি করেছিল। অনুষ্ঠানে প্রসেন তেওয়ারি, অভিষেক ভট্টাচার্য, রিচা রায়, অনিমা খাতুন, মৌসুমি দাস-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা জানানো হয়েছিল। বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত অংশগ্রহণকারীদের পাশাপাশি পূর্বে অনুষ্ঠিত হেনরি আইল্যান্ড আলোকচিত্র কর্মসূচি-র অংশগ্রহণকারীদেরও বিশেষভাবে সংবর্ধনা জানানো হয় এই অনুষ্ঠানে। সমগ্র অনুষ্ঠানের আলোকচিত্র গ্রহণ ও আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন ‘বাঙালিয়ানা ফটোগ্রাফি’-র কর্ণধার অনীক ত্রিবেদি-কে যাকে মূলত দেখা যায় ফুটবল-এর পোশাকে (আর্জেন্টিনা জার্সি পরে) এবং ফিফা বিশ্বকাপের জ্বর যে আজকালের এমন একটি অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা অন্য একটি মাত্র এনে দেয়। তাঁর পরিকল্পনায় আয়োজিত এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগটি নান্দনিক আলোকচিত্র সৃষ্টির পাশাপাশি সৃজনশীলতার এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল।