সাংবাদিক নিগ্রহ মামলায় গ্রেফতার ৩, মূল অভিযুক্ত এখনও অধরা

 

খাদিমুল ইসলাম বানারহাট:- সরকারি নিয়ম না মেনে গোহত্যা, অবৈধভাবে কসাইখানা পরিচালনা এবং গোমাংস কারবারের অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনায় এখনও অধরা মূল অভিযুক্তরা। তবে এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ। একইসঙ্গে অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ৩৮টি গরু, যেগুলিকে সরকারি খোয়াড়ে রাখা হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

গত শনিবার ধূপগুড়ির দেওমালি এলাকায় সরকারি নিয়ম না মেনে গোহত্যা, অবৈধভাবে কসাইখানা পরিচালনা এবং গোমাংস কারবারের অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ সংগ্রহ করতে যান ধূপগুড়ি প্রেস ক্লাবের সদস্য ও সাংবাদিক সাদ্দাম হোসেন। অভিযোগ, সেই সময় তাঁকে একটি কসাইখানার ভিতরে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। কোনওমতে সেখান থেকে বেরিয়ে এসে তিনি ধূপগুড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে রাতভর অভিযান চালায় ধূপগুড়ি থানার পুলিশ। অভিযানে আইয়ুব আলী, আজিজুল ইসলাম এবং হাবিবুর রহমান-কে গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি উদ্ধার করা হয় ৩৮টি গরু, যেগুলিকে সরকারি খোয়াড়ে রাখা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া গরুগুলিকে নিরাপদে রাখার পাশাপাশি গোটা ঘটনার তদন্তও এগিয়ে চলছে।

সোমবার ধৃত আইয়ুব আলী, আজিজুল ইসলাম এবং হাবিবুর রহমান-কে জলপাইগুড়ি আদালতে তোলা হলে আদালত তাঁদের জামিনের আবেদন খারিজ করে ৯ জুলাই পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়। তবে মামলার মূল অভিযুক্তরা এখনও পলাতক। তাঁদের খোঁজে পৃথক তদন্তকারী দল গঠন করে একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি। দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বাপি গোস্বামী, জলপাইগুড়ির বিধায়ক অনন্তদেব রায়, ধূপগুড়ির বিধায়ক নরেশচন্দ্র রায়, জেলা সাধারণ সম্পাদক চন্দন দত্ত, জেলা সম্পাদক মিতালি রায়-সহ একটি প্রতিনিধি দল ধূপগুড়ি থানায় গিয়ে দ্রুত মূল অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানায়
পুলিশ জানিয়েছে, মূল অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একইসঙ্গে উদ্ধার হওয়া ৩৮টি গরু, ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা তথ্যপ্রমাণ এবং অন্যান্য নথির ভিত্তিতে মামলার তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

সাংবাদিক নিগ্রহ মামলায় গ্রেফতার ৩, মূল অভিযুক্ত এখনও অধরা

 

খাদিমুল ইসলাম বানারহাট:- সরকারি নিয়ম না মেনে গোহত্যা, অবৈধভাবে কসাইখানা পরিচালনা এবং গোমাংস কারবারের অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনায় এখনও অধরা মূল অভিযুক্তরা। তবে এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ। একইসঙ্গে অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ৩৮টি গরু, যেগুলিকে সরকারি খোয়াড়ে রাখা হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

গত শনিবার ধূপগুড়ির দেওমালি এলাকায় সরকারি নিয়ম না মেনে গোহত্যা, অবৈধভাবে কসাইখানা পরিচালনা এবং গোমাংস কারবারের অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ সংগ্রহ করতে যান ধূপগুড়ি প্রেস ক্লাবের সদস্য ও সাংবাদিক সাদ্দাম হোসেন। অভিযোগ, সেই সময় তাঁকে একটি কসাইখানার ভিতরে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। কোনওমতে সেখান থেকে বেরিয়ে এসে তিনি ধূপগুড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে রাতভর অভিযান চালায় ধূপগুড়ি থানার পুলিশ। অভিযানে আইয়ুব আলী, আজিজুল ইসলাম এবং হাবিবুর রহমান-কে গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি উদ্ধার করা হয় ৩৮টি গরু, যেগুলিকে সরকারি খোয়াড়ে রাখা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া গরুগুলিকে নিরাপদে রাখার পাশাপাশি গোটা ঘটনার তদন্তও এগিয়ে চলছে।

সোমবার ধৃত আইয়ুব আলী, আজিজুল ইসলাম এবং হাবিবুর রহমান-কে জলপাইগুড়ি আদালতে তোলা হলে আদালত তাঁদের জামিনের আবেদন খারিজ করে ৯ জুলাই পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়। তবে মামলার মূল অভিযুক্তরা এখনও পলাতক। তাঁদের খোঁজে পৃথক তদন্তকারী দল গঠন করে একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি। দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বাপি গোস্বামী, জলপাইগুড়ির বিধায়ক অনন্তদেব রায়, ধূপগুড়ির বিধায়ক নরেশচন্দ্র রায়, জেলা সাধারণ সম্পাদক চন্দন দত্ত, জেলা সম্পাদক মিতালি রায়-সহ একটি প্রতিনিধি দল ধূপগুড়ি থানায় গিয়ে দ্রুত মূল অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানায়
পুলিশ জানিয়েছে, মূল অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একইসঙ্গে উদ্ধার হওয়া ৩৮টি গরু, ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা তথ্যপ্রমাণ এবং অন্যান্য নথির ভিত্তিতে মামলার তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।