ফের দাবাং এর ভূমিকায় বাঁকুড়ার বিধায়ক নিলাদ্রী শেখর দানা

 

মহম্মদ শাহজাহান আনসারী, বাঁকুড়া : ফের দাবাং এর ভূমিকায় দেখা গেল বাঁকুড়ার বিধায়ক নিলাদ্রী শেখর দানাকে। বাঁকুড়া শহরের স্কুলডাঙ্গা এলাকায় রাস্তার জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা একটি ক্লাবের সামনে দাঁড়িয়ে দ্রুত ক্লাব ভেঙে ফেলার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিলেন বিধায়ক। দ্রুত সরিয়ে ফেলতে বলা হল রাস্তার উপর থাকা একাধিক দোকানও।

বাঁকুড়া শহরের স্কুলডাঙ্গার রাস্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। এই রাস্তা দিয়ে বিভিন্ন সময়ে শুধু ভিভিআইপি রা শহরে আনাগোনা করেন তাই নয়, এই রাস্তা দিয়ে অহরহ রোগী নিয়ে যাতায়াত করে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজের এম্বুলেন্স। এছাড়াও এই রাস্তার উপর একাধিক স্কুল ও কলেজ থাকায় ছাত্র ছাত্রীদের আনাগোনাও লেগে থাকে। রাজ্যে পালাবদলের আগে এই স্কুলডাঙ্গা এলাকায় চার্চ মোড় সংলগ্ন রাস্তার একাংশ দখল করে গড়ে তোলা হয় একটি ক্লাব। অভিযোগ স্থানীয় তৃনমূলের এক প্রভাবশালী নেতার মদতেই গড়ে ওঠে ওই ক্লাব। ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় রাস্তার উপর একাধিক দোকানও তৈরী হয়ে যায় রাতারাতি। বে আইনি দখলদারির জেরে শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ওই রাস্তা কার্যত সংকীর্ণ হয়ে পড়ে। ফলে ওই রাস্তায় যাতায়াতের পথে প্রায়শই লেগে থাকে যান জট। আজ বাঁকুড়ার কাঞ্চনপুর এলাকায় পালস পোলিও কর্মসূচী সেরে ওই রাস্তা দিয়ে নিজের দফতরে ফিরছিলেন বিধায়ক নিলাদ্রী শেখর দানা। স্কুলডাঙ্গা এলাকায় যানজট দেখে তিনি গাড়ি থেকে নেমে আসেন। এরপরই কার্যত রণংদেহী মেজাজে ময়দানে নামেন বিধায়ক। রাস্তার জায়গা ছেড়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয় রাস্তার জায়গা দখল করে বসে থাকা ব্যবসায়ীদের। ঘটনাস্থল থেকেই সরাসরি জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিককে ফোন করে বে আইনি ক্লাবটিকে দ্রুত ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন বিধায়ক।

ফের দাবাং এর ভূমিকায় বাঁকুড়ার বিধায়ক নিলাদ্রী শেখর দানা

 

মহম্মদ শাহজাহান আনসারী, বাঁকুড়া : ফের দাবাং এর ভূমিকায় দেখা গেল বাঁকুড়ার বিধায়ক নিলাদ্রী শেখর দানাকে। বাঁকুড়া শহরের স্কুলডাঙ্গা এলাকায় রাস্তার জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা একটি ক্লাবের সামনে দাঁড়িয়ে দ্রুত ক্লাব ভেঙে ফেলার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিলেন বিধায়ক। দ্রুত সরিয়ে ফেলতে বলা হল রাস্তার উপর থাকা একাধিক দোকানও।

বাঁকুড়া শহরের স্কুলডাঙ্গার রাস্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। এই রাস্তা দিয়ে বিভিন্ন সময়ে শুধু ভিভিআইপি রা শহরে আনাগোনা করেন তাই নয়, এই রাস্তা দিয়ে অহরহ রোগী নিয়ে যাতায়াত করে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজের এম্বুলেন্স। এছাড়াও এই রাস্তার উপর একাধিক স্কুল ও কলেজ থাকায় ছাত্র ছাত্রীদের আনাগোনাও লেগে থাকে। রাজ্যে পালাবদলের আগে এই স্কুলডাঙ্গা এলাকায় চার্চ মোড় সংলগ্ন রাস্তার একাংশ দখল করে গড়ে তোলা হয় একটি ক্লাব। অভিযোগ স্থানীয় তৃনমূলের এক প্রভাবশালী নেতার মদতেই গড়ে ওঠে ওই ক্লাব। ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় রাস্তার উপর একাধিক দোকানও তৈরী হয়ে যায় রাতারাতি। বে আইনি দখলদারির জেরে শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ওই রাস্তা কার্যত সংকীর্ণ হয়ে পড়ে। ফলে ওই রাস্তায় যাতায়াতের পথে প্রায়শই লেগে থাকে যান জট। আজ বাঁকুড়ার কাঞ্চনপুর এলাকায় পালস পোলিও কর্মসূচী সেরে ওই রাস্তা দিয়ে নিজের দফতরে ফিরছিলেন বিধায়ক নিলাদ্রী শেখর দানা। স্কুলডাঙ্গা এলাকায় যানজট দেখে তিনি গাড়ি থেকে নেমে আসেন। এরপরই কার্যত রণংদেহী মেজাজে ময়দানে নামেন বিধায়ক। রাস্তার জায়গা ছেড়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয় রাস্তার জায়গা দখল করে বসে থাকা ব্যবসায়ীদের। ঘটনাস্থল থেকেই সরাসরি জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিককে ফোন করে বে আইনি ক্লাবটিকে দ্রুত ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন বিধায়ক।