16, Jan-2021 || 06:20 pm
Home কলকাতা ওয়েস্ট বেঙ্গল ন্যাশনাল হেল্থ মিশন জয়েন্ট এসোসিয়েশনের ডাকা কয়েকঘণ্টার প্রতীকী ধর্মঘটে কর্মীদের...

ওয়েস্ট বেঙ্গল ন্যাশনাল হেল্থ মিশন জয়েন্ট এসোসিয়েশনের ডাকা কয়েকঘণ্টার প্রতীকী ধর্মঘটে কর্মীদের মিশ্র সাড়া

হীরক মুখোপাধ্যায় :- যতটা গর্জন ছিল ঠিক ততটা বর্ষাতে পারলনা, আর তাই রাজ্যের বুকে প্রতীকী ধর্মঘটে তেমন কোনো সাড়া ফেলতে পারল না ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ন্যাশনাল হেল্থ মিশন জয়েন্ট এসোসিয়েশন’।

একটা সফল আন্দোলন গড়ে তুলতে গেলে হাতে যেসব রসদ থাকা আবশ্যক তার থেকেও অনেক অনেক বেশি প্রারাম্ভিক রসদ থাকা সত্ত্বেও কেনো যে এই সংগঠন তাদের আন্দোলনে অসফল হল ভবিষ্যতে হয়তো তার দিশা পাওয়া যাবে।

কর্মে নিশ্চয়তা, স্থায়ীকরণ, বেতন কাঠামোর পুনর্বিন্যাস, চাহিদা অনুযায়ী বদলী, শূন্যপদ পূরণ, আউটসোর্সিং বন্ধ সহ একাধিক জ্বলন্ত দাবী হাতে থাকার পরেও ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ন্যাশনাল হেল্থ মিশন জয়েন্ট এসোসিয়েশন’-এর আজকের আন্দোলন সেভাবে রাজ্যের মধ্যে প্রভাব বিস্তার করতে পারলনা।

বেলা দেড়টা নাগাদ স্বাস্থ্য ভবন থেকে জানানো হয়েছে, “কয়েক ঘণ্টার কর্মবিরতিতে কোনো প্রভাবই পড়েনি রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় ।”
স্বাস্থ্য ভবনের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলা থেকে যে খণ্ডচিত্র উঠে এসেছে তাও সংগঠনের পক্ষে খুব একটা আশাব্যঞ্জক নয়। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি দক্ষিণ বঙ্গেও আজকের আন্দোলন কর্মীদের মধ্যে সেভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি।

দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, দুই মেদিনীপুর, বীরভূম, বাঁকুড়া, বর্ধমান সব জেলার স্বাস্থ্য প্রশাসনের তরফেও জানানো হয়েছে, “কর্মবিরতির সেরকম কোনো প্রভাব পড়েনি।”

কেনো আজকের কর্মবিরতি সর্বাঙ্গীন সফল হলনা, এবিষয়ে জানতে চাইলে সংগঠনের তরফে যুক্তিগ্রাহ্য কোনো উত্তর পাওয়া না গেলেও, সংগঠনের ছাতার তলায় থাকা বিভিন্ন সংগঠনের নেতানেত্রীরা জানিয়েছেন, “আন্দোলনের আয়োজকদের আন্তরিকতার অভাব ছিলনা, কিন্তু এত কম সময়ের মধ্যে কর্মবিরতির আহ্বান জানানো হয়েছিল যে সমস্ত কর্মীদের সঙ্গে হয়তো যোগাযোগ করে ওঠা সম্ভব হয়নি। সম্ভবত তাই এই অসফলতা।”
যদিও ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ন্যাশনাল হেল্থ মিশন জয়েন্ট এসোসিয়েশন’-এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “কর্মবিরতি ছিল সর্বাত্মক। এই আন্দোলন দেখে রাজ্য সরকারকে দ্বিতীয়বার অবশ্যই ভাবতে হবে।”

এই মুহুর্তে পশ্চিমবঙ্গের বুকে যেকটা স্বাস্থ্য সংগঠন আন্দোলন করে তাদের সবারই রেজিস্ট্রেশন নম্বর থাকলেও মুষ্টিমেয় কয়েকটা সংগঠনকেই ইউনিয়ন রূপে স্বীকৃতি দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বা কেন্দ্রীয় সরকার। এর বাইরে যারা আছেন তাদের আন্দোলনও যদি এই জাতীয় জোলো আন্দোলন হয়ে দাঁড়ায় তবে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের দাবিদাওয়া যে কবে মিটবে সেটাই সব থেকে বড়ো প্রশ্ন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষক নেতৃত্বদের নিয়ে তৃনমুল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চ্যাটার্জীর সাথে সাক্ষাৎ অশোক রুদ্রের

নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতাঃ মকর সংক্রান্তির পূন্যতিথিতে তৃনমূল কংগ্রেসের কোর কমিটির সদস্য অশোক রুদ্রের নেতৃত্বে মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃত্বরা আজ তৃনমুল কংগ্রেসের...

মকরসংক্রান্তি আরো একবার মনে করিয়ে দেয় ভারতবর্ষে বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক‍্যের কথাটি

অর্পিতা সিনহা,বাঁকুড়া (১৪জানুয়ারী,২০২১): পৌষ সংক্রান্তি বা মকর সংক্রান্তি শুধুমাত্র বাঙালি সংস্কৃতিতে নয় গোটা ভারতবর্ষে ভিন্ন ভিন্ন নামে এই উৎসব উদযাপিত করা হয়।...

পশ্চিমবঙ্গ মানে মেলা ও উৎসবের রাজ্য

মোহাম্মাদ শাহজাহান আনসারী, বাঁকুড়া:-পশ্চিমবঙ্গ মানে মেলা ও উৎসবের রাজ্য । এই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নানা শিল্পী আছেন যাঁদের তাক লাগানো শিল্পকলা আমরা...

সমস্ত নিয়ম কানুন মেনে মুর্গী চাষ

মোহাম্মাদ শাহজাহান আনসারী, বাঁকুড়া:-বাঁকুড়া জেলার ওন্দা অঞ্চলের নতুনগ্রাম এলাকায় সমস্ত নিয়ম কানুন মেনে মুর্গী চাষ করা হয় ।এই চাষের সাথে স্থানীয় মানুষেরা...