ভোটের মুখে চানাডিপা গ্রামে কংগ্রেসকে নির্মূল করল তৃণমূল

খাদিমুল ইসলাম বানারহাট:- ভোটের মুখে চানাডিপা গ্রামে কংগ্রেসকে নির্মূল করল তৃণমূল। বিধানসভা ভোটের আগে বানারহাট ব্লকের শালবাড়ি ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের চানাডিপা এলাকায় কংগ্রেসে বড় ভাঙনের ঘটনা সামনে এল। সোমবার প্রায় শতাধিক কংগ্রেস কর্মী-সমর্থক আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। এদিন নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের এসসি-ওবিসি কার্যকরী সভাপতি জাফর হোসেন এবং বানারহাট ব্লকের এসসি ওবিসি সেলের সহ-সভাপতি লতিব মিয়া।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই চানাডিপা এলাকাকে কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে ধরা হতো। তবে পঞ্চায়েত নির্বাচনে পরাজয়ের পর এবার সেই দলের পরাজিত প্রার্থী সহ একাধিক পরিচিত মুখ ও নেতাকর্মী তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। সদ্য দলবদল করা কর্মীদের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন নীতির কারণে সাধারণ মানুষ সমস্যার মুখে পড়ছেন এবং এসআইআর এর মতো বিষয় নিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। সেই কারণেই তারা তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

পাশাপাশি তারা আরও জানান, মুখ্যমন্ত্রীর বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পে সাধারণ মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। তাই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে “ভোট নষ্ট” না করে তৃণমূলকে সমর্থন করাই উচিত বলে মত প্রকাশ করেন তারা।

ভোটের মুখে চানাডিপা গ্রামে কংগ্রেসকে নির্মূল করল তৃণমূল

খাদিমুল ইসলাম বানারহাট:- ভোটের মুখে চানাডিপা গ্রামে কংগ্রেসকে নির্মূল করল তৃণমূল। বিধানসভা ভোটের আগে বানারহাট ব্লকের শালবাড়ি ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের চানাডিপা এলাকায় কংগ্রেসে বড় ভাঙনের ঘটনা সামনে এল। সোমবার প্রায় শতাধিক কংগ্রেস কর্মী-সমর্থক আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। এদিন নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের এসসি-ওবিসি কার্যকরী সভাপতি জাফর হোসেন এবং বানারহাট ব্লকের এসসি ওবিসি সেলের সহ-সভাপতি লতিব মিয়া।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই চানাডিপা এলাকাকে কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে ধরা হতো। তবে পঞ্চায়েত নির্বাচনে পরাজয়ের পর এবার সেই দলের পরাজিত প্রার্থী সহ একাধিক পরিচিত মুখ ও নেতাকর্মী তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। সদ্য দলবদল করা কর্মীদের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন নীতির কারণে সাধারণ মানুষ সমস্যার মুখে পড়ছেন এবং এসআইআর এর মতো বিষয় নিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। সেই কারণেই তারা তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

পাশাপাশি তারা আরও জানান, মুখ্যমন্ত্রীর বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পে সাধারণ মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। তাই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে “ভোট নষ্ট” না করে তৃণমূলকে সমর্থন করাই উচিত বলে মত প্রকাশ করেন তারা।