ফের পুলিশ আধিকারিকের দাদাগিরি


মোহাম্মদ শাজাহান আনসারী, বাঁকুড়া: ফের পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে দাদাগিরির অভিযোগ উঠলো বাঁকুড়ায়। টাকা চুরির অপবাদ দিয়ে বাড়ির পরিচারককে দফায় দফায় বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল রানীবাঁধ থানার সেকেন্ড অফিসার শুভম রায় চৌধুরীর বিরুদ্ধে। খোয়া যাওয়া টাকা দেওয়ার পরিবর্তে পরিচারকের দিদিকে ওই আধিকারিক শিলীলতাহানি করে ও কূপ্রস্তাব দেন বলেও অভিযোগ। ঘটনার কথা জানাজানি হতেই ওই আধিকারিকের শাস্তির দাবিতে গতকাল সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত বারোটা পর্যন্ত স্থানীয় বাসিন্দারা বাঁকুড়া ঝিলিমিলি রাস্তায় রানীবাঁধের ক্ষুদিরাম বসু স্ট্যাচু মোড়ে রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করে রাখেন।

ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার। বাঁকুড়ার রানীবাঁধ থানার সেকেন্ড অফিসার শুভম রায় চৌধুরীর ভাড়া বাড়ি থেকে বেশ কিছু টাকা খোয়া যায়। প্রায় ১২ লক্ষ টাকা খোয়া গেছে এই দাবি করে ওই আধিকারিক তার সমস্ত দায় চাপিয়ে দেন বাড়ির পরিচারক সজল সহিসের কাঁধে। অভিযোগ ওই টাকা সজল চুরি করেছে এই অপবাদ দিয়ে সজলের উপর প্রথমে চাপ দেন ওই আধিকারিক। সজল তা স্বীকার না করায় ওই আধিকারিক নিজের বাড়িতে সজলকে দীর্ঘক্ষণ আটকে রেখে বেল্ট ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। মদ্যপ অবস্থায় ওই আধিকারিক নিজের সার্ভিস রিভলবার দেখিয়ে সজলকে খুন করা ও ছাদ থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেন বলেও অভিযোগ। সজলের দাবি প্রবল নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে সে সময় সজল বাধ্য হন চুরির অপবাদ মেনে নিতে। এরপর শুক্রবার ওই আধিকারিক সজলের রাজাকাটা গ্রামের বাড়িতে হানা দিয়ে তার বাড়িতে থাকা নগদ অল্প কিছু টাকা ও অলঙ্কার জোর নিয়ে চলে যান বলে অভিযোগ। সজলের পরিবারের লোকজন আধিকারিকের হাতে পায়ে ধরলেও কোনো লাভ হয়নি। উল্টে ওই আধিকারিক সজলের দিদিকে শ্লীলতাহানি করেন ও কূপ্রস্তাব দেন বলে অভিযোগ। এরপর শুক্রবার ফের সজলকে বাড়িতে ডেকে ওই আধিকারিক দীর্ঘক্ষন ধরে মারধর ও শারিরীক নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ। ঘটনায় আহত সজল গতকাল সন্ধ্যায় রানীবাঁধ ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা করান। সেই সময়ই ঘটনার কথা জানাজানি হয়। এরপরই স্থানীয় রাজাকাটা গ্রামের মানুষ ওই পুলিশ আধিকারিকের কঠোর শাস্তির দাবিতে বাঁকুড়া ঝিলিমিলি রাস্তার উপর ক্ষুদিরাম বসু স্ট্যাচু মোড়ে জমায়েত করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত বারোটা পর্যন্ত ওই রাস্তা অবরোধ করে রাখা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে রানীবাঁধ থানার পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী বারিকুল ও খাতড়া থানার পুলিশও হাজির হয় অবরোধস্থলে। পুলিশ অবরোধকারীদের সরাতে গেলে পুলিশকে ঘিরেও ক্ষোভে ফেটে পড়েন অবরোধকারীরা। পরে পুলিশ আধিকারিকেরা গোটা ঘটনার তদন্ত করে পদক্ষেপের আস্বাস দিলে অবরোধ ওঠে। দ্রুত ওই আধিকারিকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না করলে ফের আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা।

ফের পুলিশ আধিকারিকের দাদাগিরি


মোহাম্মদ শাজাহান আনসারী, বাঁকুড়া: ফের পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে দাদাগিরির অভিযোগ উঠলো বাঁকুড়ায়। টাকা চুরির অপবাদ দিয়ে বাড়ির পরিচারককে দফায় দফায় বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল রানীবাঁধ থানার সেকেন্ড অফিসার শুভম রায় চৌধুরীর বিরুদ্ধে। খোয়া যাওয়া টাকা দেওয়ার পরিবর্তে পরিচারকের দিদিকে ওই আধিকারিক শিলীলতাহানি করে ও কূপ্রস্তাব দেন বলেও অভিযোগ। ঘটনার কথা জানাজানি হতেই ওই আধিকারিকের শাস্তির দাবিতে গতকাল সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত বারোটা পর্যন্ত স্থানীয় বাসিন্দারা বাঁকুড়া ঝিলিমিলি রাস্তায় রানীবাঁধের ক্ষুদিরাম বসু স্ট্যাচু মোড়ে রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করে রাখেন।

ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার। বাঁকুড়ার রানীবাঁধ থানার সেকেন্ড অফিসার শুভম রায় চৌধুরীর ভাড়া বাড়ি থেকে বেশ কিছু টাকা খোয়া যায়। প্রায় ১২ লক্ষ টাকা খোয়া গেছে এই দাবি করে ওই আধিকারিক তার সমস্ত দায় চাপিয়ে দেন বাড়ির পরিচারক সজল সহিসের কাঁধে। অভিযোগ ওই টাকা সজল চুরি করেছে এই অপবাদ দিয়ে সজলের উপর প্রথমে চাপ দেন ওই আধিকারিক। সজল তা স্বীকার না করায় ওই আধিকারিক নিজের বাড়িতে সজলকে দীর্ঘক্ষণ আটকে রেখে বেল্ট ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। মদ্যপ অবস্থায় ওই আধিকারিক নিজের সার্ভিস রিভলবার দেখিয়ে সজলকে খুন করা ও ছাদ থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেন বলেও অভিযোগ। সজলের দাবি প্রবল নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে সে সময় সজল বাধ্য হন চুরির অপবাদ মেনে নিতে। এরপর শুক্রবার ওই আধিকারিক সজলের রাজাকাটা গ্রামের বাড়িতে হানা দিয়ে তার বাড়িতে থাকা নগদ অল্প কিছু টাকা ও অলঙ্কার জোর নিয়ে চলে যান বলে অভিযোগ। সজলের পরিবারের লোকজন আধিকারিকের হাতে পায়ে ধরলেও কোনো লাভ হয়নি। উল্টে ওই আধিকারিক সজলের দিদিকে শ্লীলতাহানি করেন ও কূপ্রস্তাব দেন বলে অভিযোগ। এরপর শুক্রবার ফের সজলকে বাড়িতে ডেকে ওই আধিকারিক দীর্ঘক্ষন ধরে মারধর ও শারিরীক নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ। ঘটনায় আহত সজল গতকাল সন্ধ্যায় রানীবাঁধ ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা করান। সেই সময়ই ঘটনার কথা জানাজানি হয়। এরপরই স্থানীয় রাজাকাটা গ্রামের মানুষ ওই পুলিশ আধিকারিকের কঠোর শাস্তির দাবিতে বাঁকুড়া ঝিলিমিলি রাস্তার উপর ক্ষুদিরাম বসু স্ট্যাচু মোড়ে জমায়েত করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত বারোটা পর্যন্ত ওই রাস্তা অবরোধ করে রাখা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে রানীবাঁধ থানার পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী বারিকুল ও খাতড়া থানার পুলিশও হাজির হয় অবরোধস্থলে। পুলিশ অবরোধকারীদের সরাতে গেলে পুলিশকে ঘিরেও ক্ষোভে ফেটে পড়েন অবরোধকারীরা। পরে পুলিশ আধিকারিকেরা গোটা ঘটনার তদন্ত করে পদক্ষেপের আস্বাস দিলে অবরোধ ওঠে। দ্রুত ওই আধিকারিকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না করলে ফের আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা।